All News
news

18 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্স ২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের টেকনিক্যাল সেশন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচী অনুযায়ী টেকনিক্যাল সেশন আজ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ০৯:৩০ ঘটিকা হতে শুরু হয়। বিকাল ৩:৪৫ ঘটিকায় সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবি'র মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এবং রাঙ্গামাটি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন পিপিএম।

কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও রাবিপ্রবি'র মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান বলেন, একটি স্থানকে দর্শনীয় তথা ট্যুরিজমের উপযোগী করার জন্য স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নীতিগত অবস্থান ও তা বাস্তবায়নে বিশেষভাবে প্রতিপালনের একটি বিষয় আছে। তিনি নারীদের ধৈর্যের প্রশংসা করে বলেন তারা ফন্ট্রডেস্কসহ ট্যুরিজমের অধিকাংশ সেক্টরে তাদের অবদানের কারণে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তিনি থাইল্যান্ডের উদাহরণ দিয়ে বলেন, হসপিটালিটিতে পরিবর্তন দরকার, ঐতিহ্য তৈরি করা দরকার। তিনি বলেন শুধু ক্লিন ক্যাম্পাসই নয় ক্লিনলিনেসকে ইন্সটিটিউশনাল কালচারে পরিণত করতে হবে; এতদসংক্রান্ত গবেষণা বাড়াতে হবে; একাডেমিশিয়ান ও প্র্যাক্টিশনারদের মধ্যে Gap কমিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, এই কনফারেন্সের মাধ্যমে যারা পর্যটন নিয়ে কাজ করেন তাদের আমরা যুক্ত করবার চেষ্টা করেছি। যারা এ আয়োজনে সামিল হয়েছেন তাদেরকে আমরা ধন্যবাদ জানায়। আমাদের এই ছোট্ট প্রচেষ্টায় আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যুক্ত হয়েছেন, এটাই আমাদের অর্জন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের ট্যুরিজম গবেষণায় যারা যুক্ত আছেন, তাদেরকে বাংলাদেশের জন্য টান অনুভব করতে হবে। টেকসই পর্যটনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের প্রসঙ্গে, তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় এবং নিরাপদ করার জন্য রাষ্ট্রসহ আমাদের প্রত্যেকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি পার্বত্য অঞ্চলে স্থানীয় লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিউনিটি ভিত্তিক ট্যুরিজম গড়ে তোলার জন্য কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন। রাঙ্গামাটির স্থানীয় বিন্নি চালের ভাপা পিঠাকে কিভাবে রাজধানী ঢাকায় ব্র্যান্ডিং করা যায় এবং স্থানীয় পর্যটনকে উৎসাহ প্রদান করা তার উদাহারণ উপস্থাপন করেন। তিনি আরো বলেন, এসকল আইডিয়াকে গবেষণার অনুষঙ্গ করে আমরা সাধারণ মানুষদের যুক্ত করতে পারি যাতে কমিউনিটি এবং জাতি উপকৃত হয়। তিনি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুন্দর শিষ্টাচারের চর্চা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দিয়ে পর্যটকদেরকে আকর্ষণ করার জন্য কাজ করতে এবং যেকোনো স্থাপনা যাতে সেখানকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে টেকসই পর্যটন উঠে সে প্রত্যাশা করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড.মুহাম্মদ ইসমাইল ট্যুরিজম ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে এ সেক্টরের প্রতি দায়িত্ববোধসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি পর্যটকদের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি এ অঞ্চলের পাহাড়, লেক ও বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর সমন্বয়ে টেকসই ও ইকো ট্যুরিজমের বিকাশের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা দেন। এর জন্য গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টজনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি পর্যটনকে বিকশিত করতে উদ্যোক্তা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আহবান করেন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি- এআইকে কাজে লাগিয়ে আমরা পর্যটন শিল্পকে পরিবর্তন করতে পারি এবং পর্যটকদেরকে নিরাপত্তা জোরদার করতে পারি। তিনি ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট সুন্দরবন, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থান ও বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে বিশ্বের কাছে প্রমোট করার জন্য আহবান জানান। তিনি পরিবেশ ও সংস্কৃতির ক্ষতিসাধন না করে ইকো ট্যুরিজম গড়ে তুলতে টেকসই বিনিয়োগ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও এই কনফারেন্সের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কিভাবে সবাই কোলাবোরেশন করতে এবং অবদান রাখতে পারে তা বিবেচনা করার কথা তিনি উল্লেখ করেন।    

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাঙ্গামাটি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন পিপিএম বলেন, সমুদ্র ও পাহাড়ের সৌন্দর্যের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সহজাত; মানুষ পাহাড় মেঘ সমুদ্র ও লেকের প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয় আর এই উপাদানগুলোর কারণে রাঙ্গামাটি মানুষের কাছে আকর্ষণীয়। এমন আকর্ষণই ট্যুরিজমের মূলকথা। তিনি বলেন, আমি কাশ্মীর ও সুইজারল্যান্ড দেখিনি তবে গল্প শুনেছি ও মিডিয়ার কারণে এখন সবকিছুই জানা সম্ভব; আমরা যদি আমাদের শহরটিকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি, ট্যুরিজমবান্ধব ব্যবস্থাপনা করতে পারি তাহলে এ শহর কাশ্মীর ও সুইজারল্যান্ড এর মতো ট্যুরিজমে অবদান রাখতে পারবে। ট্যুরিজমের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও অংশীজন একত্রে কাজ করতে পারলে রাঙ্গামাটি ট্যুরিজম অনন্য উচ্চতায় উঠবে।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবি’র ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও কনফারেন্সের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন। তিনি এ কনফারেন্স সফল করার জন্য অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষক-গবেষক ও অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি কনফারেন্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সকল সাংবাদিকবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

কনফারেন্সে পোস্টার প্রেজেন্টশনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রায়হানুল বিনতে মতিন, প্রথম রানারআপ হয়েছেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের তৌফিক হাসান, দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের জিসান আহমেদ এবং তৃতীয় রানারআপ হয়েছেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনন্যা সেনগুপ্ত। পোস্টার প্রেজেন্টশনে বিজয়ীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং টেকনিক্যাল সেশনে অংশগ্রহণকারী সকলকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ নাফিজ মন্ডল এবং জনাব ফাহিম হোসেন।

টেকনিক্যাল সেশনগুলো সকাল ৯:৩০ থেকে দুপুর ১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত রাবিপ্রবি'র একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষ, কক্ষ নং ১০০১ ও ১০০২ এ নির্ধারিত প্রোগ্রামসুচি অনুযায়ী কী-নোট স্পিচ, ওরাল প্রেজেন্টেশন ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। টেকনিক্যাল সেশনসমূহের চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুল হাসান, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন এবং বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম।

কনফারেন্সে ‘টেকসই পর্যটন, পলিসি ও উন্নয়ন; পর্যটন খাতে প্রযুক্তি, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডাটা ও উদ্ভাবন; এবং কমিউনিটি, সংস্কৃতি, হালাল ট্যুরিজম ও পর্যটকদের আচরণ’ শীর্ষক এ তিনটি টেকনিক্যাল সেশনে পর্যটন সম্পর্কিত গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত প্রবন্ধসমূহের বিষয় হলোঃ বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতে আবেগ, স্মার্ট পর্যটন, টেকসই প্রবৃদ্ধি; বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক পর্যটন গন্তব্য স্থানগুলোতে টেকসই পর্যটন পরিস্থিতি মূল্যায়ন; রাষ্ট্র, এনজিও এবং কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন: বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা এবং সামাজিক ফলাফলে প্রভাব; টেকসই পর্যটন উন্নয়ন: শরিয়াহ দৃষ্টিকোণ থেকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো; রাঙ্গামাটিতে জীববৈচিত্র্য এবং পর্যটন উন্নয়নের প্রেক্ষাপটের মধ্যে একটি অভিজ্ঞতামূলক অধ্যয়ন; বাংলাদেশে গ্রামীণ পর্যটনের জন্য ত্রিপল বটম লাইন সাসটেইনেবিলিটির অপরিহার্যতা; মহেশখালী দ্বীপে টেকসই পর্যটন উন্নয়নে সবুজ অর্থায়নের ভূমিকা পর্যালোচনাভিত্তিক ধারণাগত গবেষণা; থ্রি জিরো কনসেপ্ট এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক পর্যটন: রাজশাহী জেলায় জাতিগত সম্প্রদায়ের উপর গবেষণা; আগামীর পর্যটন: বাংলাদেশে টেকসই পর্যটন এবং ব্লু ইকোনমির জন্য উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনার একীভূতকরণ; সীতাকুণ্ড: পর্যটন গন্তব্যের সামগ্রিক সন্তুষ্টিতে পর্যটক নির্ধারকদের প্রভাব বিশ্লেষণ; টেক্সট-মাইনিং অনলাইন পর্যালোচনা দ্বারা একটি পর্যটন গন্তব্য: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের বিবর্তন ট্র্যাকিং; পাবলিক মোবিলিটি এবং অনুসন্ধান ডেটা ব্যবহার করে পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য পর্যটন চাহিদার পূর্বাভাস এবং পর্যটন মৌসুম বিশ্লেষণ; পর্যটন গন্তব্য বিপণন কৌশলের বিবর্তন অন্বেষণ সংক্রান্ত পদ্ধতিগত সাহিত্য পর্যালোচনা; TOE কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের হোটেল শিল্পে ব্লকচেইন সম্ভাবনা অন্বেষণ; বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মুসলিম পর্যটকদের জন্য হালাল পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের প্রস্তুতি মূল্যায়ন; মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে পর্যটন গন্তব্য ব্র্যান্ডিং ও আন্তর্জাতিক পর্যটক প্রবাহের মূল্যায়ন; পর্যটন ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর ব্যবহার: একটি পদ্ধতিগত সাহিত্য পর্যালোচনা; ভার্চুয়াল পর্যটন: একটি উদীয়মান পর্যটন মডেল হিসেবে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং পরামর্শ; সিলেট এবং চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য মৌসুমী পর্যটক আগমনের প্রবণতা পূর্বাভাসে বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্সের ভূমিকা; পর্যটনে বিগ ডেটা: অনলাইন পর্যালোচনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে কাপ্তাই হ্রদের জৈব গন্তব্য তথ্য সংগ্রহ; বাংলাদেশে হোটেল শিল্পের কর্মচারীদের কর্ম সন্তুষ্টির উপর অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের প্রভাব; ইসলামিক পর্যটন পুনর্গঠন: বাংলাদেশের জন্য একটি মূল্যবোধ ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি; বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অ্যাডভেঞ্চারভিত্তিক পর্যটন মূল্যায়ন, টাঙ্গুয়ার হাওরে কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন স্থান সংরক্ষণ প্রচেষ্টা ও জলাভূমি সুরক্ষা এবং পর্যটন রাজস্বের সমন্বয়; বাংলাদেশে হালাল পর্যটন পরিবেশের সংকট; বাংলাদেশের খাগড়াছড়িতে পর্যটনে আদিবাসী নারীদের অংশগ্রহণের লিঙ্গ-ভিত্তিক বিশ্লেষণ; শ্রীলংকায় সঙ্কট-পরবর্তী পর্যটন পুনরুদ্ধার থেকে বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ সমূহের শিক্ষাগ্রহণ; একটি কৌশলগত সম্পদ হিসেবে আদিবাসী রন্ধন সম্পর্কীয় পর্যটন: বাংলাদেশে গন্তব্য প্রতিযোগিতায় একটি মিশ্র-পদ্ধতি বিশ্লেষণ; বাংলাদেশে হালাল পর্যটন পরিষেবার প্রতি পর্যটকদের সন্তুষ্টি পরিমাপ; পর্যটকদের প্রত্যাশার প্রভাব এবং ভ্রমণ সন্তুষ্টির অনুপ্রেরণা: ভ্রমণের গুণগত মানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা; কর্মজীবনের ভারসাম্য এবং কর্মক্ষমতা: বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্ম সন্তুষ্টি; উন্নয়নশীল দেশে পর্যটক সন্তুষ্টি অন্বেষণ; এবং দ্রুত ভূমি-ব্যবহার পরিবর্তনের অধীনে কমিউনিটিভিত্তিক ইকো ট্যুরিজম পরিকল্পনা: বাংলাদেশের চর কুকরি মুকরিতে বাস্তুতন্ত্র পরিষেবা এবং বসতি স্থাপনের গতি প্রবাহ।

এ কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনে পর্যটন শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সী পার্ল হসপিটালিটি গ্রুপ, অক্সফোর্ড ইমপেক্ট গ্রুপ, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং স্বনামধন্য সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, লিডিং ইউনিভার্সিটি, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকবৃন্দ গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

news

14 Jan 2026

রাবিপ্রবি ভাইস চ্যান্সেলরের "উচ্চশিক্ষার অবস্থা এবং ভবিষ্যতের পথনির্দেশনা” সম্পর্কিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনে যোগদান

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত চার দিনব্যাপী "South Asian Regional Conference on the State of Higher Education and Future  Pathway (SARCHE) 2026" শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান যোগদান করেছেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ মহোদয়ের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় সদস্য প্রফেসর ড.  মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান। এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জনাব জিন পেশমে (Jean Pesme) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ ‍শিক্ষা বিভাগের সচিব মিজ রেহানা পারভীন।

উক্ত সম্মেলনটি ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে আজ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬খ্রিঃ তারিখে সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় শুরু হয় এবং আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সম্মেলনটি চলমান থাকবে। সম্মেলনটি Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) এবং World Bank এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। উক্ত সম্মেলনটি আয়োজনের লক্ষ্যসমূহ হলো- ঊচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন অংশীদার এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, স্নাতকদের কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষাগত সমাধান ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতির উপর কৌশলগত আলোচনা করা। সম্মেলনে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার বর্তমান অবস্থা, মানোন্নয়নে করণীয়, পলিসি নির্ধারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ বিবিধ বিষয়াদি সংক্রান্ত গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। সম্মেলনের শেষে, দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যত গঠনের জন্য একটি সম্মিলিত আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ঢাকা উচ্চশিক্ষা ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হবে।      

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এই অসাধারণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় একটি বিষয়ে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন তা হলো ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবে যে ছাত্রছাত্রীরা জীবন দিয়েছিলো তাদের উত্তরাধিকারীরা যে প্রশ্ন করবে তা হলো “হোয়াট ইজ এডুকেশন”?- যেখানে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিপীড়ক হয়, শিক্ষকরা যেখানে ফ্যাসিবাদী রেজিম তৈরি করবার সহযোগী হয়, সেরকম বাস্তবতায় আমাদের শিক্ষা দরকার কেন? এই শিক্ষা আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থে কতটা অর্থবহ সেই প্রশ্ন ভবিষ্যতে ছাত্রছাত্রীরা করবে । আশা করি, আমরা সে প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্য তৈরি থাকবো।

news

11 Jan 2026

রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের পরিবেশ সংক্রান্ত জাতীয় সম্মেলনে যোগদান

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান আজ ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেন) আয়োজিত বাংলাদেশের পরিবেশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং করণীয় বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে যোগদান করেছেন। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান মহোদয়। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার।  

উক্ত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর যোগদানের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং সম্মেলনের কো-পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক একাত্মতার তৈরি হলো।

news

11 Jan 2026

রাবিপ্রবিতে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সেমিনার অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ৮ জানুয়ারী ২০২৬ খ্রি. তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকায় একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের একুয়াটিক মাইক্রোবিয়াল ইকোলজি গ্রুপের উদ্যোগে “Application of GIS and Remote Sensing in Marine Scientific Research” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ মিজানুর রহমান এবং কী-নোট স্পীকার হিসেবে অর্গানাইজেশন ফর ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি এর রির্সাচ অফিসার মোঃ লিওন হাসান উপস্থিত ছিলেন।

কী-নোট স্পীকার তাঁর উপস্থাপনায় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সমুদ্রে গবেষণা কাজে GIS এবং রিমোট সেন্সিং নিয়ে বিভিন্ন ধারণা দেন এবং মেরিন রিসোর্স নিয়ে গবেষণার সম্ভাবনা সমূহ তুলে ধরেন। এছাড়া সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ড. মোঃ ফখরুদ্দিন, প্রভাষক জনাব কেয়া চাকমা এবং জনাব সিফাতুন নূর উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে রাবিপ্রবি ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের বিভিন্ন সেমিস্টারের প্রায় ৬৫ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

news

08 Jan 2026

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ০৭ জানুয়ারি ২০২৬খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির।

উক্ত শোকসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে প্রত্যক্ষ স্মৃতি তুলে ধরে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর কর্ম, চিন্তা ও আচরণে সার্বজনীন হতে পেরেছেন, তাঁর গার্ডিয়ানশীপ আমাদের আরো দরকার ছিল। তিনি তার ছাত্রজীবনে বেগম খালেদা জিয়াকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগের ঘটনা ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে কখনোই কোনো অশালীন শব্দ উচ্চারণ করেননি তাঁর এই বিনয়কে আমরা শ্রদ্ধা করি। বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম, নারীদের বিনাবেতনে শিক্ষা চালু ও উপবৃত্তি প্রদান এবং দেশনেত্রী হিসেবে সার্বজনীন হয়ে উঠার বিষয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জন্য এক আইকনিক লেডি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর স্বীয় ছাত্রজীবনে তাঁকে প্রত্যক্ষ করার সময় থেকেই তার মাঝে দেশপ্রেম ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থান ও তাঁর আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, By default she was honest। আমরাও দেশের জন্য সৎ হতে চাই, দেশের জন্য আপোষহীন হতে চাই। তিনি বলেন, আজকের শোক দিবস ও দোয়া মাহফিলটা অর্থবহ হয়ে উঠতে পারে, যদি আমরা তাঁর দর্শনটা লালন করতে পারি এবং নতুন বাংলাদেশের জন্যে আপোষহীনতার জায়গাটা হবে এই- আমরা সবাই মিলেই বাংলাদেশের উন্নতির জন্য সৎ থাকার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবো এবং অনুসরণ করবো। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার অবদান নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা করার জন্য গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আরো বলেন, ক্রিটিক্যাল থিংকিং তৈরিটা জরুরি। পরের প্রজন্মকে তাঁর কর্মময় রাজনৈতিক জীবন ও জাতির জন্য তাঁর অবদান সম্পর্কে জানানো প্রয়োজন। আমরা যারা বেঁচে আছি তাঁর ভালো কাজগুলো যেনো আমাদের জন্য স্মরণীয় হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করবো। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খালকাটা কর্মসূচী ও তার অঞ্চলের অভিজ্ঞতা, প্রত্যক্ষ স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ কর্মসূচীর মাধ্যমে কৃষি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়নে অবদানের কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সামনের দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে যারাই ক্ষমতায় আসুন না কেনো, বাংলাদেশ যেনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত শোকসভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু দলের নয়, তিনি দেশের ও জনগনের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। তিনি তাঁর কর্মদক্ষতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন এবং সবসময় জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রেখেছেন। তিনি বলতেন বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই, দেশ ও দেশের মানুষ আমার আপনজন। এছাড়া নারী শিক্ষা উন্নয়নে উপবৃত্তি চালু করে শিক্ষা ও দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।  তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়া একজন জনপ্রিয় নেত্রী ছিলেন তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। তাঁর জানাজায় জনস্রোতই প্রমাণ করে তিনি তাঁর দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না, তিনি তা ছাড়িয়ে সকল শ্রেণি-পেশার তথা সর্বসাধারণের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। ’২৪ পরবর্তী বাংলদেশে তাঁকে প্রয়োজন ছিলো, তিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক। তিনি বলেন, আমাদের পথ চলায় দ্বিমত থাকবে কিন্ত দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশে আর যেনো কোনো রাজনৈতিক বিভেদ দেখা না দেয় আমাদের মাঝে। পরিশেষে তিনি তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করেন।   

রাবিপ্রবি’র প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের উপর নিষর্কষিত আলোচনা করেন এবং এ আয়োজনের জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পার্বত্য অঞ্চলের জাতিসত্তাসমূহের অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নে প্রশাসনিক-আর্থিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড তুলে ধরেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

উক্ত সভায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ এর ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন এবং সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ এর ডিন ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং মোঃ তাসফিক সিকদার।

news

04 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে প্রথমবারের মতো ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটিতে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে প্রথমবারের মতো ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং জাতীয় পতাকা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর ফেলো প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় আগ্রহী করতে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্সের বছর জুড়ে নানা আয়োজন চলে; রাঙ্গামাটি জেলার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আমরা কানেক্ট করে দিবো যাতে তারা বিজ্ঞান চর্চায় আরো বেশি আগ্রহী হতে পারে। আমরা প্রত্যাশা করি শিক্ষার্থীরা রাঙ্গামাটি জেলার একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান- এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে।

সারা দেশে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এ রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ শাখা থেকে ২১৯ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেন। সকাল ১০:০০ ঘটিকা হতে দেড় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে’ স্কুল পর্যায় থেকে ১১৪ জন ও কলেজ পর্যায় থেকে ৪৩ জন সহ সর্বমোট ১৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের পরবর্তীতে আজ বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ আয়োজনে সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী এবং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম যথাক্রমে আহবায়ক ও বিভাগীয় কো-অরডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জনাব সাদ্দাম হোসেন ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক -শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

news

04 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটিতে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর আয়োজনে এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এ বিজয়ী ১৫ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আজ বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর ফেলো প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজ থেকে আগত বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাই এ অনুষ্ঠান তথা ক্যাম্পাসের প্রধান অতিথি। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০১ সালে আইন তৈরি হলেও, ২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। পর্যাপ্ত স্বদিচ্ছা ও পরিচর্চার ঘাটতি থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এক নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার যোগ্যতা রাখে এবং আমি আশা রাখি একদিন এ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সেরা হবে। এখানে গবেষণা করার জন্য আছে অপার সম্ভাবনা, পার্বত্য অঞ্চলের সমৃদ্ধ গাছ-গাছড়া, মৎস্যসম্পদ, জিরো কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ এলাকা, পাহাড়, লেক এবং সুন্দর প্রকৃতি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োসায়েন্স কনফারেন্স এবং বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড আয়োজন করায় শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান চর্চায় ভবিষ্যতে আরো উদ্বুদ্ধ হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। তিনি আরো বলেন, আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞান চর্চা করার অনুষঙ্গ ও বিজ্ঞানী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারলে এ আয়োজন সার্থক হবে। শিক্ষার্থীরা আজকের অনুষ্ঠান আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী’র বিখ্যাত বিজ্ঞানী ড. শমসের আলী ও ড. জামাল নজরুল ইসলাম এবং পঞ্চব্রীহি ধানের আবিস্কারক বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী’র মতো বিজ্ঞানীদের কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এ প্রাপ্ত মেডেলগুলো শিক্ষার্থীদেরকে এ পার্বত্য অঞ্চল থেকে একদিন নর্থ আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পেতে সহায়তা করবে। তিনি বিজ্ঞানভিত্তিক পড়াশুনার মাধ্যমে এ অঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে আহবান করেন। তিনি বলেন, ‘এ বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডটা আমাদের ছাত্রদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্যে, বিজ্ঞানকে ধারণ করবার জন্যে, বিজ্ঞানকে পৃষ্ঠপোষকতা দেবার জন্যে এবং সর্বোপরি বিজ্ঞানের মাধ্যমে এ দেশকে উন্নত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমরা এ আয়োজনটা করেছি।’ এছাড়াও তিনি এ অঞ্চলের স্কুল- কলেজের জন্য তিন দিনব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি মাধ্যমিক পর্যায়ে (স্কুল শাখা) বিজয়ী ১০ জন শিক্ষার্থী এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে (কলেজ) বিজয়ী ৫ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র, মেডেল ও টি-শার্ট প্রদান করেন। বিজয়ী শিক্ষার্থীরা আগামী ১৭ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এ অংশগ্রহণ করবেন। মাধ্যমিক পর্যায়ে (স্কুল শাখা) প্রথম থেকে দশম স্থান অধিকারী বিজয়ী ১০ জন শিক্ষার্থীদের নাম যথাক্রমে - লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ত্রিশিলা দাশ (১ম স্থান), লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ত্রাতুল চাকমা (২য় স্থান), লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের মোঃ রকিবুল হাসান-(৩য় স্থান), রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের তজিম চাকমা (৪র্থ স্থান), লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের আসমা খান (৫ম স্থান), রাঙ্গামাটি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কৌশিকি কুন্তলা (৬ষ্ঠ স্থান), লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের তাসমিয়া তাবাসসুম (৭ম স্থান), লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের মোঃ নাহিম নুর নাহিম (৮ম স্থান), শাহ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়ুষ মহাজন (৯ম স্থান) এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ কাপ্তাইয়ের মোস্তাকিম হোসেইন (১০ম স্থান)। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে (কলেজ শাখা) প্রথম থেকে পঞ্চম স্থান অধিকারী বিজয়ী ৫ জন শিক্ষার্থীদের নাম যথাক্রমে - লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের রাফাতুল ফারিহা চারু (১ম স্থান), লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অর্কিট চাকমা (২য় স্থান), বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজ কাপ্তাইয়ের ফারহান তানভির (৩য় স্থান), রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজের মোঃ শামীম (৪র্থ স্থান) এবং লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সিয়াম আলদিন (৫ম স্থান)।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এর চিত্র তুলে ধরে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর এবং শিক্ষার্থীদের বক্তব্য সম্বলিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ সুস্থ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করায় আয়োজক কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থী এবং রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এর আয়োজন কমিটির আহবায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী; ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এর আয়োজন কমিটির বিভাগীয় কো-অরডিনেটর ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক জনাব আহমেদ ইমতিয়াজ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী জনাব রবিউল কাউসার এবং ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী জনাব সঞ্চিতা চক্রবর্তী। এছাড়াও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জনাব সাদ্দাম হোসেন ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক -শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এ রাঙ্গামাটি জেলার প্রায় ৩০ টির অধিক স্কুল ও কলেজ শাখা থেকে ২১৯ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেন। সকাল ১০:০০ ঘটিকা হতে দেড় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে’ স্কুল পর্যায় থেকে ১১৪ জন ও কলেজ পর্যায় থেকে ৪৩ জন সহ সর্বমোট ১৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

সকাল ৯:০০ ঘটিকায় রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এর র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং জাতীয় পতাকা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় । র‍্যালি শেষে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় আগ্রহী করতে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্সের বছর জুড়ে নানা আয়োজন চলে; রাঙ্গামাটি জেলার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আমরা কানেক্ট করে দিবো যাতে তারা বিজ্ঞান চর্চায় আরো বেশি আগ্রহী হতে পারে। আমরা প্রত্যাশা করি শিক্ষার্থীরা রাঙ্গামাটি জেলার একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে।

news

18 Dec 2025

রাবিপ্রবিতে ‘Research Collaboration’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এবং রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন ম্যানেজমেন্ট সেল (আরআইএমসি) এর উদ্যোগে ‘Research Collaboration’ বিষয়ক এক সেমিনার আজ ১৭/১২/২০২৫ তারিখ রোজ বুধবার দুপুর ২:০০ ঘটিকায় একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে আরআইএমসি এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল্লাহ আল মামুন সঞ্চালনা করেন এবং মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর জাপান, চীন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে যৌথ উদ্যোগে গবেষণার সুযোগ ও সম্ভাবনা সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন এবং উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরকে গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করেন। দেশের একটি অনন্য বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাবিপ্রবি’র ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা বলেন এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সহ অন্যান্য বিষয়ের সমন্বয়ে interdisciplinary গবেষণার উপর গুরুত্ব দেন; বিশেষত রিসার্চ ট্রান্সলেশন এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।  

উক্ত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায়, কানাডার ‘ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর’ এর প্রোজেক্ট কোলাবরেটর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ‘গ্লোবাল একাডেমিক কোলাবরেশন’ বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি রাবিপ্রবি’র শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করার উদ্দেশ্যে কানাডার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর’ এ বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন এবং রাবিপ্রবি’র সাথে কোলাবরেশনের মাধ্যমে টেকসই একাডেমিক পার্টনারশিপ গড়ে তোলা, শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গবেষণা জোরদার, গবেষণাভিত্তিক প্রশিক্ষণ, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে স্কলারশিপের সুযোগ ও আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিং এ রাবিপ্রবি’র অবস্থান উন্নীত করার সম্ভাবনার বিষয়ে আলোকপাত করেন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।

এসময় রাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী, প্রক্টর জনাব সাদ্দাম হোসেন, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ড. মোঃ আবু তালেব, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, রিসার্চ কোলাবরেশন হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে কোনো গবেষণা সংস্থার সাথে গবেষণা করা, যেখানে প্রয়োজনীয় পারস্পরিক জ্ঞান, দক্ষতা, ডেটা, অবকাঠামো ও অর্থায়নের বিষয়াদি অংশীদারিত্বের বিষয়গুলো জড়িত থাকে। এ অংশীদারিত্বমূলক গবেষণার গুণগত মান ও প্রভাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেড়ে যায়।

news

18 Dec 2025

রাবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের ৯ম সভা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ৯ম সভা আজ ১৭/১২/২০২৫ তারিখ রোজ বুধবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় রাবিপ্রবি’র প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও রিজেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর রিজেন্ট বোর্ডের সভার শুরুতে স্বশরীরে উপস্থিত এবং অনলাইনে সংযুক্ত রিজেন্ট বোর্ডের সম্মানিত সদস্যদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি রাবিপ্রবি’র চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং একাডেমিক কার্যক্রম রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যবৃন্দের কাছে তুলে ধরেন।

উক্ত সভায় রিজেন্ট বোর্ডের ৮ম সভার কার্যবিবরণী নিশ্চিতকরণ; একাডেমিক কাউন্সিলের ১৪তম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন; অর্থ কমিটির ৮ম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন; আপগ্রেডেশন; চাকরি নিশ্চিতকরণ; কর্মকর্তা নিয়োগ; চাকুরিজীবীদের জ্যেষ্ঠতা নীতিমালা-২০২৫; Q1 জার্নালে তালিকাভুক্ত প্রকাশনার বিপরীতে প্রণোদনা ও সম্মাননা নীতিমালা এবং ছুটি বিধিমালা (সংশোধিত)-২০২৫ সহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন পদে দায়িত্ব, বদলি ও পদায়ন; বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষার ফলাফল এবং বিবিধ ছুটি অনুমোদনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের অবহিত করা হয়।

‍রিজেন্ট বোর্ডের সম্মানিত সদস্য হিসেবে সভায় রাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এ. কে. এম. আরিফুল হক সিদ্দিকী এবং রিসটেক প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর যুগ্ম সচিব (সরকারি মাধ্যমিক) জনাব তরফদার মোঃ আক্তার জামীল, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), চট্টগ্রাম গবেষণাগারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (ইনমাস) চট্টগ্রাম-এর পরিচালক ও প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. পবিত্র কুমার ভট্টাচার্য্য, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম এর বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. ইউনুছ আহমেদ এবং রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ নাসিমুল হক অনলাইনে রিজেন্ট বোর্ড সভায় সংযুক্ত ছিলেন।

news

17 Dec 2025

রাবিপ্রবি’তে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘মহান বিজয় দিবস-২০২৫’ উদযাপন

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও আবসিক হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আজ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান মহোদয়ের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসের বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনস্বরুপ পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয় এবং শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আমরা ২০২৪ এর বাংলাদেশে প্রত্যাশা করছি যে আমরা আর কখনো ফ্যাসিবাদের চর্চা করবো না। ১৯৪৭ কে মনে রাখা প্রয়োজন, ১৯৪৭ না হলে আমরা ১৯৭১ পর্যন্ত আসতে পারতাম না। ১৯৪৭ না হলে ১৯৫২ আসতো না, ১৯৫২ না আসলে ১৯৭১ হতো না। ১৯৭১ না হলে, আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না; স্বাধীনতার এই দীর্ঘ যাত্রায় যে রাজনৈতিক সংকট তার অবসানের লক্ষে আমাদের জুলাই’২৪। প্রত্যেকটি অধ্যায়ের আলাদা মর্যাদা ও তাৎপর্য রয়েছে। তিনি সবাইকে বিভ্রান্তিমূলক আলোচনা ও তথ্য প্রচার থেকে দূরে থাকার জন্য আহবান করেন।

মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির এর সভাপত্বিতে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন।

‘মহান বিজয় দিবস-২০২৫: সুযোগ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ বিষয়ক এ আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ গড়তে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের সবার রূহের মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এগিয়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদেরকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে দেশের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের ছাত্র বন্ধুরা তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ।ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে দাঁড় করাবার জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। আমরা যেই অর্থে নেতৃত্ব বেছে নেবার কথা বলছি, সেই অর্থে নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার নানা প্রলোভন থাকবে, গাড়ি, বাড়ি, বিদেশে সেটেল হওয়ার প্রলোভন থাকবে। সে সকল প্রলোভনকে জয় করে, সমাজের জন্য ইতিবাচক নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। সততার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়ার কোনো জায়গা থাকবে না। যদি তাই হয়, বাংলাদেশ যতবার পথ হারাবার উপলক্ষ পাবে, ততবারই ঘুরে দাঁড়াবার জন্যে যুবকরাই এগিয়ে আসবে।’ এছাড়াও তিনি দেশের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, নিবেদিতপ্রাণ, সৎ, যোগ্য, দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে উৎসাহিত করেন। সকল চ্যালেঞ্জ যেমন বেকারত্ব, দুর্নীতি, বৈষম্য মোকাবিলা করে সুশাসন, নৈতিক শিক্ষা ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ নাগরিক হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশকে সম্ভাবনার প্রান্তে নেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীসহ সকলকে জীবনদর্শন, নীতিবোধ ও জীবনবোধ গড়ে তোলার কথা বলেন। তিনি বলেন, যার উপর আমার অধিকার নেই তার মূল্য যতই হোক, তা আমার কাছে মূল্যহীন। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান মহোদয় তার এ আলোচনার প্রথমেই গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং বলেন জুলাই’২৪ এ আমরা যে আশা আকাঙ্ক্ষা ও চেতনা নিয়ে লড়াই করেছিলাম সে ঐক্যবদ্ধ শক্তির মধ্যে এক দূরত্ব দেখতে পাচ্ছি যা কাম্য নয়। তিনি ’৪৭ থেকে ’৭১ এবং তৎপরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আলোকে জুলাই’২৪ পূর্ববর্তী সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, গুম খুনের রাষ্ট্রীয় চিত্র তুলে ধরেন এবং আগামীর বাংলাদেশের সম্ভাবনার বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন পোষাক শিল্প, আধুনিক কৃষি, পর্যটন, প্রবাসী আয়, প্রযুক্তি ঔষধ শিল্পের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘মহান বিজয় দিবস-২০২৫: সুযোগ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন। প্রবন্ধে তিনি ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নির্ভর অর্থনীতি, কৃষি খাতে প্রথাগত কৃষি প্রযুক্তির স্থলে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ফলন বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দেশজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি রপ্তানিমুখী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে পৃষ্ঠপোষকতা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি ’৪৭ এর প্রেক্ষাপট ও পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে সৃষ্ট সাংস্কৃতিক সংকট, অর্থনৈতিক শোষণ ও রাজনৈতিক সংকটের বিশদ আলোচনা ও জুলাই’২৪ পরবর্তী বাংলাদেশের সামনে সুযোগ ও সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো এভাবেই তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি উন্নত দেশের মতো শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধিসহ আধুনিক শিক্ষানীতির কথা বলেন। দুর্নীতি থেকে মুক্তির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং সৎ নেতৃত্বের অভাবের কথা বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, সকল স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে সকলে একসঙ্গে কাজ করতে পারলে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সকল ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার যে ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে তা প্রতিষ্ঠা করা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। আমরা সবাই আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য একসঙ্গে কাজ করবো এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে এগিয়ে নিয়ে যাবো এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আলোচনা সভায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এছাড়াও মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রীদের আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনসহ সকল হলে আলোকসজ্জা করা হয়।

অতঃপর মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা শেষে একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে বার্ষিক এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন। বার্ষিক এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর বিভিন্ন ইভেন্টসমূহে- দৌড় (১০০মি. ২০০মি. ও ৪০০মি.), চাকতি নিক্ষেপ, গোলক নিক্ষেপ, বর্শা নিক্ষেপ, উচ্চ লাফ, লং জাম্প, দাবা, লুডু, ক্যারম, ব্যাডমিন্টন – বিজয়ী শিক্ষার্থীরা মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এছাড়াও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন অনুষদের ডীন, চেয়ারম্যান, প্রক্টর, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (অ.দা.)সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

news

15 Dec 2025

রাবিপ্রবি'তে ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৫’ উদযাপন

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রি.তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হয়। শহিদদের স্মরণে রাবিপ্রবি’র ক্যাম্পাসে অবস্থিত বিজয় স্মৃস্তিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী। এ অনুষ্ঠানে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীদের চেতনাকে প্রবহমান রাখার জন্য নতুন সম্ভাবনাময় এই বাংলাদেশে সুষ্ঠুধারার বুদ্ধিবৃত্তিকচর্চা ও গবেষণার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মুহাম্মদ জুনাইদ কবির সকল অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদেরকে সাথে নিয়ে বিজয় স্মৃস্তিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

news

14 Dec 2025

রাবিপ্রবি’র একাডেমিক কাউন্সিলের ১৪ তম সভা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৪ তম সভা রাবিপ্রবি’র প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে আজ ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ তারিখ রোজ রবিবার দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও একাডেমিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

একাডেমিক কাউন্সিলের সভার শুরুতে পূর্ববর্তী ১৩ তম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। আজকের অনুষ্ঠিত সভায় রাবিপ্রবি ২০২৬ সালের অফিস ও ক্লাস ছুটির তালিকা; ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দুইটি মিডটার্ম পরীক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি; ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের আসন্ন এম এস প্রোগ্রাম চালু ও ভর্তির হালনাগাদ, পাঠ্যক্রম কমিটি গঠন ও প্রণয়ন, Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) প্রকল্পের জন্য কক্ষ বরাদ্দ, বিভাগের জন্য ছাত্র উপদেষ্টা নিয়োগ এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রির্সোসেস টেকনোলজি বিভাগের ট্যুর বাজেট সংশোধন, ট্যুরের ক্ষেত্রে টিএ/ ডিএ, এম.এস. প্রোগ্রাম চালুকরণ, ইন্টার্নশিপ ও এক্সটার্নশিপ বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়। কাউন্সিলের সদস্যদের আলোচনাক্রমে সভায় উপস্থাপিত বিষয়সমূহ অনুমোদনের জন্য সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়।

এছাড়া সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতোমধ্যে গৃহীত ও বাস্তবায়নাধীন প্রশাসনিক বিষয়সমুহ যথা - পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুকরণ, স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্য, রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন, বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষা কমিটি গঠন- সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

উক্ত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অনলাইনে জুম প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও একাডেমিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং সদস্যবৃন্দের মধ্যে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মিনারেলস, জিওটেক ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রিন্সিপাল জিওলোজিস্ট ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোঃ মনিরুজ্জামান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রফেসর ড. ওয়াহিদা সুমী এবং বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (নদী উপকেন্দ্র) পটুয়াখালী এর সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ও সাবস্টেশন চীফ ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক। এছাড়াও সভায় সশরীরে একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান রাবিপ্রবি’র সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক জনাব আহমেদ ইমতিয়াজ, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক জনাব মোহনা বিশ্বাস, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক ড. নিখিল চাকমা, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক মোসা. হাবিবা, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রির্সোসেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ ফখরুদ্দিন এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, একাডেমিক কাউন্সিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা বিষয়ক পর্ষদ, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি, বিধি বিধান সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ, একাডেমিক বর্ষসূচী ও তৎসম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার মান নির্ধারণ ও সংরক্ষণের সংশ্লিষ্ট কার্যাদি বিষয়ে তত্ত্বাবধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।