All News
news

22 Feb 2026

রাবিপ্রবিতে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ও আবাসিক হলসমূহে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়।

সকাল ৯:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থিত বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টরসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ’৫২-এর ভাষা শহিদদের স্মরণ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও ১৯৭১, ১৯৯০ এবং জুলাই’২৪ এর শহিদ এবং আহতদের সুস্থতা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে দোয়া করা হয়।

মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের লক্ষে ’৫২ ভাষা আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন, তাঁদের ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা যেমন আমাদের জাতীয় দায়িত্ব তেমনি ’৭১, ’৯০ ও ’২৪ এ যারা জনআকাঙ্ক্ষাকে প্রতিষ্ঠার জন্য শহিদ হয়েছেন তাঁদের অবদানকে স্মরণে রেখে সকলকে জাতীয় উন্নয়নে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর। তিনি আরো বলেন, শহিদদের চিন্তা-চেতনাকে ধারণ ও প্রবাহমান রাখার জন্য দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ দক্ষতা ও নৈতিকতার সাথে কাজ করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। যে বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আমরা এ নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সে বাংলাদেশে যেনো আর দুঃখ, হতাশা, বৈষম্যের মধ্যে পড়তে না হয়, আমরা সে লক্ষে সততার সাথে ও ঐক্যের সাথে কাজ করে যাবো; এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা নতুন বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখতে চাই এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর।

news

09 Feb 2026

রাবিপ্রবি’তে সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের আয়োজনে সেমিনার অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের উদ্যোগে আজ ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় যার শিরোনাম “Be Useful and the world will find You”। অর্থ্যাৎ আপনি যদি মানুষের জন্য উপকারী হয়ে উঠতে পারেন তাহলে পৃথিবী নিজেই একদিন আপনাকে খুঁজে নেবে। আমরা অনেকেই স্বীকৃতি, সাফল্য, উন্নতি বা পরিচিতি পাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ি কিন্তু সত্য হলো সাফল্যের পেছনে না ছুটে মানুষের কাজে লাগার চেষ্টা করলে সাফল্য নিজেই ধরা দেবে।

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি'র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। সেমিনারে কীনোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক এ অবস্থিত আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইটি প্রতিষ্ঠান ইউটিসি এসোসিয়েটস্ (UTC Associates, New York) এর প্রেসিডেন্ট এবং সিইও জনাব আজিজ আহমেদ। সভার সভাপতিত্ব করেন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল আলম। সেমিনারে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শুধুমাত্র সার্টিফিকেট ও ভালো সিজিপিএ জীবনে গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে নিজের দক্ষতা ও জ্ঞান সমন্বয় করে নিজেকে উপস্থাপন করা এবং সমাজে নিজের কাজ তথা গবেষণা লব্ধ জ্ঞানের প্রতিফলন বা প্রভাব তুলে ধরা। শিক্ষার্থীরা যাতে ইন্টারভিউতে নিজেদের দক্ষতা ও তাদের গবেষণা কাজসমূহ সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে সেজন্য নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে এবং প্রতিনিয়ত তাদের দক্ষতা উন্নত করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। সমাজ, রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানকে সেবা দেয়াই আমাদের সকলের মূখ্য উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। তিনি শিক্ষার্থীদেকে অনুপ্রেরণামূলক কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেন এবং দেশে-বিদেশে রাবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীদের অবদান রাখার আহবান জানান। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কীনোট স্পিকার প্রকৌশলী আজিজ আহমেদকে তাঁর জীবনের বাস্তবতা ও বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির ব্যবহার ও তথ্য সম্বলিত উৎসাহমূলক বক্তব্য প্রদান করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সেমিনারের কীনোট স্পিকার প্রকৌশলী আজিজ আহমেদ বক্তব্যের শুরুতে আমেরিকাতে শিক্ষাজীবন শুরুর সংগ্রাম, পার্ট-টাইম চাকরির মাধ্যমে টিউশন ফি জমানো, পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকা এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত UTC Associates Inc.- সিস্টেম ও নেটওয়ার্কিং কোম্পানি সম্পর্কে আলোচনা করেন। ১৯৮৯ সালে বিশ্ববিখ্যাত Bell Labs এ ইন্টার্নশিপের তাঁকে প্রযুক্তিখাতে কাজ সুযোগ তৈরি করেছিলো বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে AI এর প্রায়োগিক ব্যবহার সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন। এক্ষেত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথাও বলেন। নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খেয়ে চলার উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বিভিন্ন অ্যাপস, মেশিন লার্নিং, সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট ডিজাইন, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ, সাইবার সিকিউরিটি, পাইথন, ড্রোন প্রযুক্তিসহ অনুরূপ বিষয়-প্রযুক্তি নিয়ে উদ্ভাবনী গবেষণা করে সমাজের বিভিন্ন সেক্টরে ভবিষ্যৎ উপযোগী চাহিদা পূরণে কাজ করার আহবান জানান। তিনি জীবনে উচ্চাবিলাসী পরিকল্পনা না করে ছোট কাজ দিয়েই জীবন শুরু করার উপর গুরুত্ব দেন। জীবনে কোনো ব্যর্থতাই যেন হতাশাগ্রস্ত করতে না পারে; বরং হতাশাকে শক্তিতে পরিণত করতে হবে এবং সমসময় নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যেতে হবে। তিনি সামাজিক সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরো বলেন, কম্পিউটার সায়েন্স এমন একটি সাবজেক্ট- যেই ডিগ্রী, প্রায়োগিক জ্ঞান, দৃঢ়তা, নিয়মানুবর্তিতা ও স্বপ্ন দিয়ে দেশ-বিদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সম্ভব। দেশের উন্নয়নে এবং উদ্ভাবনে আমাদের প্রযুক্তিকে ধারণ করতে এবং কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটির শিক্ষার্থীদের কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই, তারা যেখানেই যাক না কেনো, ভার্চুয়ালি তারা পৃথিবীকে অনেক কিছু দিতে পারবে। পরিশেষে কীনোট স্পিকার প্রকৌশলী আজিজ আহমেদ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

news

02 Feb 2026

রাবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের ১১তম সভা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ১১তম সভা আজ ৩১/০১/২০২৬ তারিখ রোজ শনিবার সকাল ১১:০০ ঘটিকায় রাবিপ্রবি’র প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও রিজেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর রিজেন্ট বোর্ডের সভার শুরুতে স্বশরীরে উপস্থিত এবং অনলাইনে সংযুক্ত রিজেন্ট বোর্ডের সম্মানিত সদস্যদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি রাবিপ্রবি’র একাডেমিক, প্রশাসনিক ও চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যবৃন্দের কাছে তুলে ধরেন।

উক্ত সভায় রিজেন্ট বোর্ডের ৯ম ও ১০ম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়। এছাড়া শিক্ষক ও ড্রাইভার (হালকা) নিয়োগ ও আপগ্রেডেশন সংক্রান্ত বাছাইকরণের সুপারিশমালা; প্রণয়নকৃত নীতিমালাসমূহে অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্তিকরণ; ১১-১৬ তম গ্রেড ও ১৬-২০তম গ্রেডের বকেয়া (এরিয়ার) সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব, বদলি ও পদায়ন প্রদান বিষয়ে অবহিতকরণ; কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের অনুমোদন প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি হতে অপসারণ/সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত বিষয়াদি বোর্ডকে অবহিত করা হয়। এছাড়াও রাবিপ্রবি’র শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্প (ডিপিপি) প্রস্তাবসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিবিধ বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের অবহিত ও অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

‍রিজেন্ট বোর্ডের সম্মানিত সদস্য হিসেবে সভায় রাবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল আলম, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এ. কে. এম. আরিফুল হক সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. ইউনুছ আহমেদ এবং রিসটেক প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর যুগ্ম সচিব (পারফমেন্স উদ্ভাবন) মিজ্‌ শামিম সুলতানা ও যুগ্ম সচিব (সরকারি মাধ্যমিক অধিশাখা) জনাব তরফদার মোঃ আক্তার জামীল, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), চট্টগ্রাম গবেষণাগারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (ইনমাস) চট্টগ্রাম-এর পরিচালক ও প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. পবিত্র কুমার ভট্টাচার্য্য, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম এর বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, এবং রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ নাসিমুল হক অনলাইনে রিজেন্ট বোর্ড সভায় সংযুক্ত ছিলেন।

news

29 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে ম্যানেজমেন্ট ফেস্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ম্যানেজমেন্ট বিজনেস সোসাইটি (এমবিএস) এর উদ্যোগে দিনব্যাপী ম্যানেজমেন্ট ফেস্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির ম্যানেজমেন্ট ফেস্ট প্রোগ্রাম এর উদ্বোধন করেন। এসময় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহনা বিশ্বাস ও বিভাগীয় অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত ফেস্ট প্রোগ্রামে Panel Discussion এ ‘Youth in Future Business’ সেশনে কী নোট স্পীকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এর প্রেসিডেন্ট এ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, ড্রিম ইন্টেরিয়রের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মিজানুর রহমান, বি আলম ট্রেডার্স এর সিইও জনাব রোকন উদ্দিন, মিজেল-হজাল এর স্বত্বাধিকারী জনাব টোরি চাকমা এবং এডুলাইফ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আমির হোসেন রুজেল। এছাড়া Panel Discusion এ বক্তব্য রাখেন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহনা বিশ্বাস। সেমিনারে বক্তারা উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, তাদের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং ব্যবসা সংক্রান্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ম্যানেজমেন্ট ফেস্ট প্রোগ্রামের দ্বিতীয় পর্বে বিশেষ অতিথি ও আইকন মিট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এভারেস্ট বিজয়ী বাংলদেশি পর্বতারোহী, চিকিৎসক ও আ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস এর উদ্যোক্তা জনাব বাবর আলী। তিনি এভারেস্ট বিজয়ের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

উক্ত ম্যানেজমেন্ট ফেস্ট প্রোগ্রাম কমিটির আহবায়ক মোঃ সোলেমান বাদশা , সেক্রেটারি জেনারেল জনাব অর্নব মল্লিক, সহ-সভাপতি ফাহিম উল আনোয়ার অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন এবং অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন কার্যনির্বাহী সদস্য রবিউল আউয়াল কাউসার।

দিনব্যাপী এ ফেস্টে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় খাবারসহ বিভিন্ন হস্তশিল্পের স্টল দেয়। বিকেলে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা এবং পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

news

29 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে ‘Research, Innovation and Patent’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, উদ্ভাবন ও পেটেন্ট সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে বেগবান ও এগিয়ে নেয়ার লক্ষে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে ‘Research, Innovation and Patent’ বিষয়ক একটি সেমিনার আজ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ অর্থ্যাৎ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সকল শিক্ষক এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত সেমিনারে সভাপতি হিসেবে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। সেমিনারে কী-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান।

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ সেমিনারকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বলেন, গোটা বিশ্ব এখন গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্যাটেন্ট নিয়ে কাজ করছে, আগামীর পৃথিবীতে ও জ্ঞানের জগতে নিজের মেধাস্বত্ব নিয়ে টিকে থাকতে হলে আমাদেরকে এখন থেকে এ বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে। রাবিপ্রবি ভবিষ্যতে এ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং সেমিনারের সাফল্য কামনা করেন।

সেমিনারে কী-নোট স্পিকার ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান তার উপস্থাপিত প্রবন্ধে পেটেন্ট সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, উদ্ভাবনী আইডিয়াকে স্টার্টআপ ও শিল্পখাতে রুপান্তরের সুযোগ সৃষ্টি বিষয়ে তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক বিশদ আলোচনা উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য যে, এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করা এবং গবেষণা লব্ধ ফলাফলকে পেটেন্ট বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা। ৪র্থ শিল্প বিল্পবের এ যুগে গবেষণা ও উদ্ভাবন টেকসই-উন্নয়নের পূর্বশর্ত। সে লক্ষে এ সেমিনার বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও সেবা উদ্ভাবনের পথ উন্মুক্ত করবে এমন আশা করা যায়।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.তানজিম মাহমুদ এবং আইকিউএসি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) জনাব মাহবুব আরা উপস্থিত ছিলেন।

news

23 Jan 2026

রাবিপ্রবিতে শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রোজ শুক্রবার সার্বজনীন শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৭:৩০ ঘটিকা থেকে পূজা শুরু হয়ে সকাল ১১:০০ ঘটিকায় পুষ্পাঞ্জলি শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ ফখরুদ্দিন, রাবিপ্রবি'র সহকারী প্রক্টর ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব জি এম সেলিম আহমেদ , ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, ছাত্র হলের সহকারী প্রভোস্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ আবদুল হালিম এবং সরস্বতী পূজা উদযাপন কার্যকরী কমিটি-২০২৬ এর আহবায়ক ও রাবিপ্রবি'র কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ধ্বনিতা ত্রিপুরা।

এছাড়া পূজা উদযাপন কার্যকরী কমিটির সভাপতি জনাব তুর্য দেওয়ানজিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সূচী অনুযায়ী দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় প্রসাদ বিতরণ করা হবে। এরপর বিকাল ৪:০০ ঘটিকা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬:৩০ ঘটিকায় সন্ধ্যা আরতি সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে সারা দিনব্যাপী পূজার কার্যক্রম শেষ হবে।

news

18 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্স ২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের টেকনিক্যাল সেশন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচী অনুযায়ী টেকনিক্যাল সেশন আজ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ০৯:৩০ ঘটিকা হতে শুরু হয়। বিকাল ৩:৪৫ ঘটিকায় সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবি'র মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এবং রাঙ্গামাটি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন পিপিএম।

কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও রাবিপ্রবি'র মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান বলেন, একটি স্থানকে দর্শনীয় তথা ট্যুরিজমের উপযোগী করার জন্য স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নীতিগত অবস্থান ও তা বাস্তবায়নে বিশেষভাবে প্রতিপালনের একটি বিষয় আছে। তিনি নারীদের ধৈর্যের প্রশংসা করে বলেন তারা ফন্ট্রডেস্কসহ ট্যুরিজমের অধিকাংশ সেক্টরে তাদের অবদানের কারণে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তিনি থাইল্যান্ডের উদাহরণ দিয়ে বলেন, হসপিটালিটিতে পরিবর্তন দরকার, ঐতিহ্য তৈরি করা দরকার। তিনি বলেন শুধু ক্লিন ক্যাম্পাসই নয় ক্লিনলিনেসকে ইন্সটিটিউশনাল কালচারে পরিণত করতে হবে; এতদসংক্রান্ত গবেষণা বাড়াতে হবে; একাডেমিশিয়ান ও প্র্যাক্টিশনারদের মধ্যে Gap কমিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, এই কনফারেন্সের মাধ্যমে যারা পর্যটন নিয়ে কাজ করেন তাদের আমরা যুক্ত করবার চেষ্টা করেছি। যারা এ আয়োজনে সামিল হয়েছেন তাদেরকে আমরা ধন্যবাদ জানায়। আমাদের এই ছোট্ট প্রচেষ্টায় আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যুক্ত হয়েছেন, এটাই আমাদের অর্জন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের ট্যুরিজম গবেষণায় যারা যুক্ত আছেন, তাদেরকে বাংলাদেশের জন্য টান অনুভব করতে হবে। টেকসই পর্যটনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের প্রসঙ্গে, তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় এবং নিরাপদ করার জন্য রাষ্ট্রসহ আমাদের প্রত্যেকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি পার্বত্য অঞ্চলে স্থানীয় লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিউনিটি ভিত্তিক ট্যুরিজম গড়ে তোলার জন্য কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন। রাঙ্গামাটির স্থানীয় বিন্নি চালের ভাপা পিঠাকে কিভাবে রাজধানী ঢাকায় ব্র্যান্ডিং করা যায় এবং স্থানীয় পর্যটনকে উৎসাহ প্রদান করা তার উদাহারণ উপস্থাপন করেন। তিনি আরো বলেন, এসকল আইডিয়াকে গবেষণার অনুষঙ্গ করে আমরা সাধারণ মানুষদের যুক্ত করতে পারি যাতে কমিউনিটি এবং জাতি উপকৃত হয়। তিনি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুন্দর শিষ্টাচারের চর্চা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দিয়ে পর্যটকদেরকে আকর্ষণ করার জন্য কাজ করতে এবং যেকোনো স্থাপনা যাতে সেখানকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে টেকসই পর্যটন উঠে সে প্রত্যাশা করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড.মুহাম্মদ ইসমাইল ট্যুরিজম ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসা পরিচালনা সংক্রান্ত নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে এ সেক্টরের প্রতি দায়িত্ববোধসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি পর্যটকদের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি এ অঞ্চলের পাহাড়, লেক ও বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর সমন্বয়ে টেকসই ও ইকো ট্যুরিজমের বিকাশের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা দেন। এর জন্য গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টজনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি পর্যটনকে বিকশিত করতে উদ্যোক্তা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আহবান করেন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি- এআইকে কাজে লাগিয়ে আমরা পর্যটন শিল্পকে পরিবর্তন করতে পারি এবং পর্যটকদেরকে নিরাপত্তা জোরদার করতে পারি। তিনি ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট সুন্দরবন, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থান ও বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে বিশ্বের কাছে প্রমোট করার জন্য আহবান জানান। তিনি পরিবেশ ও সংস্কৃতির ক্ষতিসাধন না করে ইকো ট্যুরিজম গড়ে তুলতে টেকসই বিনিয়োগ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও এই কনফারেন্সের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কিভাবে সবাই কোলাবোরেশন করতে এবং অবদান রাখতে পারে তা বিবেচনা করার কথা তিনি উল্লেখ করেন।    

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাঙ্গামাটি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন পিপিএম বলেন, সমুদ্র ও পাহাড়ের সৌন্দর্যের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সহজাত; মানুষ পাহাড় মেঘ সমুদ্র ও লেকের প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয় আর এই উপাদানগুলোর কারণে রাঙ্গামাটি মানুষের কাছে আকর্ষণীয়। এমন আকর্ষণই ট্যুরিজমের মূলকথা। তিনি বলেন, আমি কাশ্মীর ও সুইজারল্যান্ড দেখিনি তবে গল্প শুনেছি ও মিডিয়ার কারণে এখন সবকিছুই জানা সম্ভব; আমরা যদি আমাদের শহরটিকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি, ট্যুরিজমবান্ধব ব্যবস্থাপনা করতে পারি তাহলে এ শহর কাশ্মীর ও সুইজারল্যান্ড এর মতো ট্যুরিজমে অবদান রাখতে পারবে। ট্যুরিজমের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও অংশীজন একত্রে কাজ করতে পারলে রাঙ্গামাটি ট্যুরিজম অনন্য উচ্চতায় উঠবে।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবি’র ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও কনফারেন্সের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন। তিনি এ কনফারেন্স সফল করার জন্য অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষক-গবেষক ও অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি কনফারেন্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সকল সাংবাদিকবৃন্দকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

কনফারেন্সে পোস্টার প্রেজেন্টশনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রায়হানুল বিনতে মতিন, প্রথম রানারআপ হয়েছেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের তৌফিক হাসান, দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের জিসান আহমেদ এবং তৃতীয় রানারআপ হয়েছেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনন্যা সেনগুপ্ত। পোস্টার প্রেজেন্টশনে বিজয়ীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং টেকনিক্যাল সেশনে অংশগ্রহণকারী সকলকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ নাফিজ মন্ডল এবং জনাব ফাহিম হোসেন।

টেকনিক্যাল সেশনগুলো সকাল ৯:৩০ থেকে দুপুর ১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত রাবিপ্রবি'র একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষ, কক্ষ নং ১০০১ ও ১০০২ এ নির্ধারিত প্রোগ্রামসুচি অনুযায়ী কী-নোট স্পিচ, ওরাল প্রেজেন্টেশন ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। টেকনিক্যাল সেশনসমূহের চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যথাক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুল হাসান, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন এবং বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম।

কনফারেন্সে ‘টেকসই পর্যটন, পলিসি ও উন্নয়ন; পর্যটন খাতে প্রযুক্তি, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডাটা ও উদ্ভাবন; এবং কমিউনিটি, সংস্কৃতি, হালাল ট্যুরিজম ও পর্যটকদের আচরণ’ শীর্ষক এ তিনটি টেকনিক্যাল সেশনে পর্যটন সম্পর্কিত গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত প্রবন্ধসমূহের বিষয় হলোঃ বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতে আবেগ, স্মার্ট পর্যটন, টেকসই প্রবৃদ্ধি; বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক পর্যটন গন্তব্য স্থানগুলোতে টেকসই পর্যটন পরিস্থিতি মূল্যায়ন; রাষ্ট্র, এনজিও এবং কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন: বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা এবং সামাজিক ফলাফলে প্রভাব; টেকসই পর্যটন উন্নয়ন: শরিয়াহ দৃষ্টিকোণ থেকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো; রাঙ্গামাটিতে জীববৈচিত্র্য এবং পর্যটন উন্নয়নের প্রেক্ষাপটের মধ্যে একটি অভিজ্ঞতামূলক অধ্যয়ন; বাংলাদেশে গ্রামীণ পর্যটনের জন্য ত্রিপল বটম লাইন সাসটেইনেবিলিটির অপরিহার্যতা; মহেশখালী দ্বীপে টেকসই পর্যটন উন্নয়নে সবুজ অর্থায়নের ভূমিকা পর্যালোচনাভিত্তিক ধারণাগত গবেষণা; থ্রি জিরো কনসেপ্ট এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক পর্যটন: রাজশাহী জেলায় জাতিগত সম্প্রদায়ের উপর গবেষণা; আগামীর পর্যটন: বাংলাদেশে টেকসই পর্যটন এবং ব্লু ইকোনমির জন্য উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনার একীভূতকরণ; সীতাকুণ্ড: পর্যটন গন্তব্যের সামগ্রিক সন্তুষ্টিতে পর্যটক নির্ধারকদের প্রভাব বিশ্লেষণ; টেক্সট-মাইনিং অনলাইন পর্যালোচনা দ্বারা একটি পর্যটন গন্তব্য: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের বিবর্তন ট্র্যাকিং; পাবলিক মোবিলিটি এবং অনুসন্ধান ডেটা ব্যবহার করে পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য পর্যটন চাহিদার পূর্বাভাস এবং পর্যটন মৌসুম বিশ্লেষণ; পর্যটন গন্তব্য বিপণন কৌশলের বিবর্তন অন্বেষণ সংক্রান্ত পদ্ধতিগত সাহিত্য পর্যালোচনা; TOE কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের হোটেল শিল্পে ব্লকচেইন সম্ভাবনা অন্বেষণ; বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মুসলিম পর্যটকদের জন্য হালাল পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের প্রস্তুতি মূল্যায়ন; মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে পর্যটন গন্তব্য ব্র্যান্ডিং ও আন্তর্জাতিক পর্যটক প্রবাহের মূল্যায়ন; পর্যটন ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর ব্যবহার: একটি পদ্ধতিগত সাহিত্য পর্যালোচনা; ভার্চুয়াল পর্যটন: একটি উদীয়মান পর্যটন মডেল হিসেবে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং পরামর্শ; সিলেট এবং চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য মৌসুমী পর্যটক আগমনের প্রবণতা পূর্বাভাসে বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্সের ভূমিকা; পর্যটনে বিগ ডেটা: অনলাইন পর্যালোচনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে কাপ্তাই হ্রদের জৈব গন্তব্য তথ্য সংগ্রহ; বাংলাদেশে হোটেল শিল্পের কর্মচারীদের কর্ম সন্তুষ্টির উপর অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের প্রভাব; ইসলামিক পর্যটন পুনর্গঠন: বাংলাদেশের জন্য একটি মূল্যবোধ ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি; বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অ্যাডভেঞ্চারভিত্তিক পর্যটন মূল্যায়ন, টাঙ্গুয়ার হাওরে কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটন স্থান সংরক্ষণ প্রচেষ্টা ও জলাভূমি সুরক্ষা এবং পর্যটন রাজস্বের সমন্বয়; বাংলাদেশে হালাল পর্যটন পরিবেশের সংকট; বাংলাদেশের খাগড়াছড়িতে পর্যটনে আদিবাসী নারীদের অংশগ্রহণের লিঙ্গ-ভিত্তিক বিশ্লেষণ; শ্রীলংকায় সঙ্কট-পরবর্তী পর্যটন পুনরুদ্ধার থেকে বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ সমূহের শিক্ষাগ্রহণ; একটি কৌশলগত সম্পদ হিসেবে আদিবাসী রন্ধন সম্পর্কীয় পর্যটন: বাংলাদেশে গন্তব্য প্রতিযোগিতায় একটি মিশ্র-পদ্ধতি বিশ্লেষণ; বাংলাদেশে হালাল পর্যটন পরিষেবার প্রতি পর্যটকদের সন্তুষ্টি পরিমাপ; পর্যটকদের প্রত্যাশার প্রভাব এবং ভ্রমণ সন্তুষ্টির অনুপ্রেরণা: ভ্রমণের গুণগত মানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা; কর্মজীবনের ভারসাম্য এবং কর্মক্ষমতা: বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্ম সন্তুষ্টি; উন্নয়নশীল দেশে পর্যটক সন্তুষ্টি অন্বেষণ; এবং দ্রুত ভূমি-ব্যবহার পরিবর্তনের অধীনে কমিউনিটিভিত্তিক ইকো ট্যুরিজম পরিকল্পনা: বাংলাদেশের চর কুকরি মুকরিতে বাস্তুতন্ত্র পরিষেবা এবং বসতি স্থাপনের গতি প্রবাহ।

এ কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনে পর্যটন শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সী পার্ল হসপিটালিটি গ্রুপ, অক্সফোর্ড ইমপেক্ট গ্রুপ, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং স্বনামধন্য সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, লিডিং ইউনিভার্সিটি, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকবৃন্দ গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

news

14 Jan 2026

রাবিপ্রবি ভাইস চ্যান্সেলরের "উচ্চশিক্ষার অবস্থা এবং ভবিষ্যতের পথনির্দেশনা” সম্পর্কিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনে যোগদান

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত চার দিনব্যাপী "South Asian Regional Conference on the State of Higher Education and Future  Pathway (SARCHE) 2026" শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান যোগদান করেছেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ মহোদয়ের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় সদস্য প্রফেসর ড.  মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান। এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জনাব জিন পেশমে (Jean Pesme) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ ‍শিক্ষা বিভাগের সচিব মিজ রেহানা পারভীন।

উক্ত সম্মেলনটি ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে আজ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬খ্রিঃ তারিখে সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় শুরু হয় এবং আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সম্মেলনটি চলমান থাকবে। সম্মেলনটি Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) এবং World Bank এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। উক্ত সম্মেলনটি আয়োজনের লক্ষ্যসমূহ হলো- ঊচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন অংশীদার এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, স্নাতকদের কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষাগত সমাধান ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতির উপর কৌশলগত আলোচনা করা। সম্মেলনে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার বর্তমান অবস্থা, মানোন্নয়নে করণীয়, পলিসি নির্ধারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ বিবিধ বিষয়াদি সংক্রান্ত গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। সম্মেলনের শেষে, দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যত গঠনের জন্য একটি সম্মিলিত আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ঢাকা উচ্চশিক্ষা ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হবে।      

মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এই অসাধারণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় একটি বিষয়ে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন তা হলো ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবে যে ছাত্রছাত্রীরা জীবন দিয়েছিলো তাদের উত্তরাধিকারীরা যে প্রশ্ন করবে তা হলো “হোয়াট ইজ এডুকেশন”?- যেখানে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিপীড়ক হয়, শিক্ষকরা যেখানে ফ্যাসিবাদী রেজিম তৈরি করবার সহযোগী হয়, সেরকম বাস্তবতায় আমাদের শিক্ষা দরকার কেন? এই শিক্ষা আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থে কতটা অর্থবহ সেই প্রশ্ন ভবিষ্যতে ছাত্রছাত্রীরা করবে । আশা করি, আমরা সে প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্য তৈরি থাকবো।

news

11 Jan 2026

রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের পরিবেশ সংক্রান্ত জাতীয় সম্মেলনে যোগদান

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান আজ ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেন) আয়োজিত বাংলাদেশের পরিবেশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং করণীয় বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে যোগদান করেছেন। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান মহোদয়। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার।  

উক্ত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর যোগদানের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং সম্মেলনের কো-পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক একাত্মতার তৈরি হলো।

news

11 Jan 2026

রাবিপ্রবিতে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সেমিনার অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ৮ জানুয়ারী ২০২৬ খ্রি. তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকায় একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের একুয়াটিক মাইক্রোবিয়াল ইকোলজি গ্রুপের উদ্যোগে “Application of GIS and Remote Sensing in Marine Scientific Research” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ মিজানুর রহমান এবং কী-নোট স্পীকার হিসেবে অর্গানাইজেশন ফর ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি এর রির্সাচ অফিসার মোঃ লিওন হাসান উপস্থিত ছিলেন।

কী-নোট স্পীকার তাঁর উপস্থাপনায় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সমুদ্রে গবেষণা কাজে GIS এবং রিমোট সেন্সিং নিয়ে বিভিন্ন ধারণা দেন এবং মেরিন রিসোর্স নিয়ে গবেষণার সম্ভাবনা সমূহ তুলে ধরেন। এছাড়া সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ড. মোঃ ফখরুদ্দিন, প্রভাষক জনাব কেয়া চাকমা এবং জনাব সিফাতুন নূর উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে রাবিপ্রবি ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগের বিভিন্ন সেমিস্টারের প্রায় ৬৫ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

news

08 Jan 2026

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ০৭ জানুয়ারি ২০২৬খ্রি. তারিখ রোজ বুধবার সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া’র স্মরণে এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির।

উক্ত শোকসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে প্রত্যক্ষ স্মৃতি তুলে ধরে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর কর্ম, চিন্তা ও আচরণে সার্বজনীন হতে পেরেছেন, তাঁর গার্ডিয়ানশীপ আমাদের আরো দরকার ছিল। তিনি তার ছাত্রজীবনে বেগম খালেদা জিয়াকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগের ঘটনা ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে কখনোই কোনো অশালীন শব্দ উচ্চারণ করেননি তাঁর এই বিনয়কে আমরা শ্রদ্ধা করি। বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম, নারীদের বিনাবেতনে শিক্ষা চালু ও উপবৃত্তি প্রদান এবং দেশনেত্রী হিসেবে সার্বজনীন হয়ে উঠার বিষয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জন্য এক আইকনিক লেডি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর স্বীয় ছাত্রজীবনে তাঁকে প্রত্যক্ষ করার সময় থেকেই তার মাঝে দেশপ্রেম ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থান ও তাঁর আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, By default she was honest। আমরাও দেশের জন্য সৎ হতে চাই, দেশের জন্য আপোষহীন হতে চাই। তিনি বলেন, আজকের শোক দিবস ও দোয়া মাহফিলটা অর্থবহ হয়ে উঠতে পারে, যদি আমরা তাঁর দর্শনটা লালন করতে পারি এবং নতুন বাংলাদেশের জন্যে আপোষহীনতার জায়গাটা হবে এই- আমরা সবাই মিলেই বাংলাদেশের উন্নতির জন্য সৎ থাকার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবো এবং অনুসরণ করবো। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার অবদান নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা করার জন্য গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আরো বলেন, ক্রিটিক্যাল থিংকিং তৈরিটা জরুরি। পরের প্রজন্মকে তাঁর কর্মময় রাজনৈতিক জীবন ও জাতির জন্য তাঁর অবদান সম্পর্কে জানানো প্রয়োজন। আমরা যারা বেঁচে আছি তাঁর ভালো কাজগুলো যেনো আমাদের জন্য স্মরণীয় হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করবো। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খালকাটা কর্মসূচী ও তার অঞ্চলের অভিজ্ঞতা, প্রত্যক্ষ স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ কর্মসূচীর মাধ্যমে কৃষি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়নে অবদানের কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সামনের দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে যারাই ক্ষমতায় আসুন না কেনো, বাংলাদেশ যেনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত শোকসভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু দলের নয়, তিনি দেশের ও জনগনের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। তিনি তাঁর কর্মদক্ষতা ও প্রজ্ঞা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন এবং সবসময় জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রেখেছেন। তিনি বলতেন বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই, দেশ ও দেশের মানুষ আমার আপনজন। এছাড়া নারী শিক্ষা উন্নয়নে উপবৃত্তি চালু করে শিক্ষা ও দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।  তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়া একজন জনপ্রিয় নেত্রী ছিলেন তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। তাঁর জানাজায় জনস্রোতই প্রমাণ করে তিনি তাঁর দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না, তিনি তা ছাড়িয়ে সকল শ্রেণি-পেশার তথা সর্বসাধারণের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। ’২৪ পরবর্তী বাংলদেশে তাঁকে প্রয়োজন ছিলো, তিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক। তিনি বলেন, আমাদের পথ চলায় দ্বিমত থাকবে কিন্ত দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশে আর যেনো কোনো রাজনৈতিক বিভেদ দেখা না দেয় আমাদের মাঝে। পরিশেষে তিনি তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করেন।   

রাবিপ্রবি’র প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের উপর নিষর্কষিত আলোচনা করেন এবং এ আয়োজনের জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পার্বত্য অঞ্চলের জাতিসত্তাসমূহের অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নে প্রশাসনিক-আর্থিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড তুলে ধরেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

উক্ত সভায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ এর ডিন ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন এবং সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ এর ডিন ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ তৌহিদুল ইসলাম এবং মোঃ তাসফিক সিকদার।

news

04 Jan 2026

রাবিপ্রবি’তে প্রথমবারের মতো ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটিতে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে প্রথমবারের মতো ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং জাতীয় পতাকা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর ফেলো প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় আগ্রহী করতে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্সের বছর জুড়ে নানা আয়োজন চলে; রাঙ্গামাটি জেলার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আমরা কানেক্ট করে দিবো যাতে তারা বিজ্ঞান চর্চায় আরো বেশি আগ্রহী হতে পারে। আমরা প্রত্যাশা করি শিক্ষার্থীরা রাঙ্গামাটি জেলার একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান- এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে।

সারা দেশে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ এ রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ শাখা থেকে ২১৯ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেন। সকাল ১০:০০ ঘটিকা হতে দেড় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে’ স্কুল পর্যায় থেকে ১১৪ জন ও কলেজ পর্যায় থেকে ৪৩ জন সহ সর্বমোট ১৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের পরবর্তীতে আজ বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

‘বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-২০২৬’ আয়োজনে সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী এবং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম যথাক্রমে আহবায়ক ও বিভাগীয় কো-অরডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জনাব সাদ্দাম হোসেন ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক -শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।