All News
news

17 Jul 2025

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উদযাপন

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ১৬ জুলাই ২০২৫ তারিখ ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে সকাল ০৯:০০ ঘটিকায় রাবিপ্রবি’র নির্মাণাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতিম্তম্ভে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। অতঃপর সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদসহ সকল জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফেরাত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন। এ দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষ-২ এ একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, প্রধান অতিথি ও গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান ও Western Norway University of Applied Sciences, Bergen, Norway এর প্রফেসর ড. এস এম আব্দুল কুদ্দুস।

সভায় গেস্ট অব অনার প্রফেসর ড. এস এম আব্দুল কুদ্দুস ‘জুলাই স্পিরিট: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্নগাঁথা’ এ বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের ফলে আমাদের মনস্তত্বে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের সেবা প্রদানের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে, এ দৃষ্টিভঙ্গিকে চেতনায় ধারণ করে আরো বেগবান করতে হবে। নারীদের অংশগ্রহণ জুলাই আন্দোলনকে অনন্যতা দান করেছে। ইতোপূর্বের আন্দোলনে এরুপ দেখা যায়নি। এখান থেকে আমাদের শিক্ষণীয় আছে। রাষ্ট্রকে তা উপলব্ধি করতে হবে। তিনি আরো বলেন, নতুন বাংলাদেশে মেধার মূল্যায়ন হচ্ছে এবং মেধাবীরা দেশে ফিরছে ও দেশ গঠনে তারা সম্পৃক্ত হচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ সর্ম্পকে বলেন, ক্যাম্পাস হবে জ্ঞান উৎপাদন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের জায়গা। শিক্ষার্থীদের জন্য মুক্ত চিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই আন্দোলনে Gen Z এর দাবি ছিল বৈষম্যহীন-মেধাভিত্তিক সমাজ, যেখানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকবে না। সর্বত্র সবাই সমান সুযোগ পাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি-চেতনা ধারণ করে ‘ফিরে দেখা ১৬ই জুলাই’ শিরোনামে একটি স্মারক বক্তব্য উপস্থাপন করেন। মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, এ আন্দোলন ষোল বছরের ফ্যাসিজমের অবসান ঘটিয়েছে। আমরা ৫২ কে, ৭১কে যেভাবে মনে রেখেছি , ধারণ করেছি তেমনি জুলাই আন্দোলনকে আমাদের মাঝে ধারণ করবো। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে যতদিন আছি ততদিন ট্রান্সফরমেটিভ লিডারশীপ এপ্রোচে কাজ করে যাবো। তিনি তাঁর বক্তব্যে জুলাই ২০২৪ থেকে পরবর্তী ৩৬ দিন কিভাবে শিক্ষার্থী তথা সাধারণ মানুষের সাথে জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছেন তার ধারাবাহিক বর্ণনা তুলে ধরেন। ১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখে নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষক ঐক্য ব্যানারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে একজোট হয়ে শিক্ষার্থীদের উপর নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতিবাদ করেন তার বর্ণনা করেন। নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আসিফ, রাফি, ওয়াসিম, আদনান, মিতা-সহ জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও পঙ্গুত্ববরণকারী ছাত্র জনতার আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এগিয়ে যেতে হবে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে ৩১শে জুলাই ২০২৪ তারিখে প্রায় শতাধিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিবাদ সমাবেশের কথা উল্লেখ করেন এবং সচিত্র উপস্থাপনা তুলে ধরেন। জীবনের উপর হুমকি উপেক্ষা করে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে জুলাইয়ের প্রতিটি মুর্হূত কাজে লাগিয়েছেন কখনো সামনে থেকে কখনো লেখনীর মাধ্যমে। নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও জনসাধারণকে নিয়ে জুলাই আন্দোলন সফল করেছেন তা তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত ছয় মাসে যে পরিবর্তন আপনারা দেখেছেন তা গতিশীল রাখতে শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দলবদ্ধভাবে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যয় ও শহিদদের প্রতি আমাদের যে অঙ্গীকার তা ছড়িয়ে দিতে ও কাজে পরিণত করতে জুলাইয়ের চেতনায় পেশাদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশনজট মুক্ত করতে পরীক্ষা গ্রহণের ১৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত সভায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে হাসিবুর রহমান মিশকাত ও রিফাহ তাসনিয়া নিখিতা এবং কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কম্পিউটার প্রোগ্রামার জনাব এ.এম.শাহেদ আনোয়ার জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও তৎপরবর্তী নতুন বাংলাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব-করণীয় নিয়ে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুপ্রিয় চাকমা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ও ফিশারিজ এন্ড মেরিন রির্সোসেস টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানুর রহমান বক্তব্য প্রদান করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির সভাপতি হিসেবে সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমরা যে শহিদদের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সেই দেশকে নতুনভাবে গঠন করার সময় আমাদের এসেছে। আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং স্বৈরাচরমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

news

15 Jul 2025

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৫’ উদযাপন

দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৫’। ১৫ জুলাই ২০২৫ তারিখ সকাল ০৯:০০ ঘটিকায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে দিবসটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। এসময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় ও পায়রা উড়ানো হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবার জন্য দোয়া করা হয় এবং আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে প্রশাসনিক ভবন-১ এর সম্মুখে দিবসটি উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

এসময়ে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের স্লোগান “রাবিপ্রবি দিবসের অঙ্গীকার, সেশনজট মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আমার অধিকার।” এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশনজট মুক্ত করতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীসহ সকলকে যথাযথভাবে কাজ করার আহবান জানান। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট নিরসনে, প্রয়োজনে আগামী তিন মাসে অতিরিক্ত ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । তিনি আরো বলেন, যেহেতু এই মুহূর্তে আমাদের শিক্ষক সংকট অনেকটাই নিরসন হয়েছে তাই আমরা আশা করছি বিশ্ববিদ্যালয় অতি দ্রুত সেশনজট মুক্ত হবে। তিনি সেশনজট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার মনস্তত্বে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার আহবান জানান।

‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে অন্যান্য কর্মসূচীগুলো হলো: ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন, মেমোরী শোকেজিং, স্পিরিট অব দ্য ডে, ফুড ফেসটিভ্যাল, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ এর  কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সকাল ১০:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষ-২ এ রাবিপ্রবি’র সূচনালগ্ন থেকে এ-পর্যন্ত  বিভিন্ন একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামো উন্নয়নের আলোকচিত্র সম্বলিত একটি ডকুমেন্টারি প্রর্দশন করা হয়। ‘A 11 Years Journey of RMSTU: Way Forward’ এ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়কে হস্তান্তর করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সাবেক ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব সূচনা আখতার ও সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের সাবেক ডিন ও সহযোগী অধ্যাপক জনাব ধীমান শর্মা এবং মূল প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন জনাব ধীমান শর্মা।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন Western Norway University of Applied Sciences, Bergen, Norway এর প্রফেসর ড. এস এম আব্দুল কুদ্দুস। তিনি ‘Changing Trends in Higher Education in the Era of Industry 4.0’ এ বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রকৌশল-কারিগরী চাহিদার সাথে কারিকুলামের সমন্বয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, এক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের উন্নতির কথা চিন্তা করলে হবে না, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশর জীববৈচিত্র্য ঠিক রেখে, সমাজের উপর যেন কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করতে হবে। তিনি সময় ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে সাথে শিক্ষাদান-শিক্ষাগ্রহণ পদ্ধতি, কারিকুলামে নতুনত্ব আনয়ন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংস্কার ও সময়োপযোগী দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেন। তিনি রাবিপ্রবি’র সাথে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমঝোতা স্মারক ( MoU) করার প্রস্তাব রাখেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অতপর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত একুশ জন শিক্ষককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর। তাঁরা হলেন- কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামশেদ আলম পাটোয়ারী ও ড.তৌহিদুল আলম; ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুনাইদ কবির ও ড. মুহাম্মদ রহিম উদ্দিন; ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব; ফিশারিজ এন্ড মেরিন রির্সোসেস টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মতিউর রহমান চৌধুরী ও ড. মোঃ মিজানুর রহমান; ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব জি. এম সেলিম আহমেদ; ফিশারিজ এন্ড মেরিন রির্সোসেস টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব আবদুল্লাহ আল মামুন ও জনাব মোঃ ফখরুদ্দিন; ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব আকসাদুল হাসান রাকিব ও জনাব আরিফ হোসেন; ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ ছায়েদুল আমিন ও জনাব মোঃ জামাল উদ্দিন; ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ আবদুল হালিম, জনাব ফাহিম হোসেন ও জনাব মোঃ নাফিজ মন্ডল এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রির্সোসেস টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক জনাব মুহাম্মদ ফররুখ রহমান, জনাব সিফতুন নুর, জনাব মোহাম্মদ এজাজুল ইসলাম ও জনাব কেয়া চাকমা।

এই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে প্রথমবারের মত ডিন’স এওয়ার্ড চালু করা হলো এবং সেলক্ষ্যে নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগমী বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে নীতিমালা অনুযায়ী ডিন’স এওয়ার্ড প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীদেরকে ডিন’স এওয়ার্ড অর্জনের জন্য পড়াশোনায় আগ্রহী ও নিজের যোগ্যতা দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ে উৎসাহ প্রদান করেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে Best Memory Showcasing: Awards (Research, Artistic creation, Innovative Projects) এবং Spirit of the Day-সহ বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একাডেমিক ভবন-১ এ বিভিন্ন প্রকারের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পিঠা নিয়ে ফুড ফেস্টিভ্যাল এর আয়োজন করা হয়। দুপুরে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শিক্ষার্থী বনাম শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বিকেলে একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষ-২ এ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য ‘রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ (৩৯নং আইন, ১৫ জুলাই ২০০১ সাল) দ্বারা রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনুমোদন দেয় হয়। ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়।

সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস সফল হওয়ায় ভাইস চ্যান্সেলর শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান।

news

25 Jun 2025

রাবিপ্রবি’তে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের পরিকল্পিত বনায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের পরিকল্পিত বনায়ন কার্যক্রম আজ ২৪.০৬.২০২৫খ্রি: রোজ মঙ্গলবার সকাল ০৯:১৫ ঘটিকায় উদ্বোধন করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনা নির্মান করার সময় পরিবেশের যাতে কোন ক্ষতি না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে যে প্রচেষ্টা এবং উদ্যোগ নেয়া দরকার সেই কর্মসূচীর আলোকে আজকের এই পরিকল্পিত বনায়ন কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হলো। এ কর্মসূচীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় পচিঁশ ধরনের গাছ লাগানো হবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব আবদুল গফুর উপস্থিত ছিলেন; এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

news

25 Jun 2025

রাবিপ্রবি’তে একাডেমিক কাউন্সিলের ১২ তম সভা অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১২ তম সভা রাবিপ্রবি’র একাডেমিক ভবন-২ এর মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের সভা কক্ষে আজ ২৪-০৬-২০২৫ তারিখে সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

একাডেমিক কাউন্সিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা বিষয়ক সংস্থা যেখানে আইন, সংবিধি ও বিধানের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও তৎসম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রনয়ন করে থাকে।

এই একাডেমিক কাউন্সিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সিলেবাস প্রণয়ন, প্রনয়কৃত বিভিন্ন নীতিমালা, একাডেমিক পরীক্ষার মানোন্নয়ন, বিভিন্ন বিভাগের পাঠ্যক্রম কমিটি, বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা কমিটি ও নতুন বিভাগ খোলার বিষয়ে আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

উক্ত একাডেমিক কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রফেসর ড. ওয়াহিদা সুমী, বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট, নদী উপকেন্দ্র, খেপুপাড়া, পটুয়াখালী এর সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ও সাবস্টেশন চীফ ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক । এসময় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মিনারেলস, জিওটেক ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রিন্সিপাল জিওলোজিস্ট ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোঃ মনিরুজ্জামান অনলাইন জুম প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও রাবিপ্রবি’র ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন জনাব সূচনা আখতার, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন জনাব ধীমান শর্মা, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোহনা বিশ্বাস, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ড. তানজিম মাহমুদ, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা, টুরিজ্যম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোসা. হাবিবা ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব সপ্তর্ষি চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

news

29 May 2025

রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে বিতর্ক সপ্তাহ-২০২৫ শুরু

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী বির্তকের তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার ২৮ মে ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর কনফারেন্স কক্ষে ‘Asian Parliamentary Debate’ এর প্রশিক্ষণ-কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবি’র কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মাঈনুদ্দিন ও রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি জনাব আয়নুল ইসলাম। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য যে সপ্তাহব্যাপী এ আয়োজনে থাকছে বিতর্কের বিভিন্ন বিষয়ের উপর কর্মশালা, উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।